আমরাও যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠি: আইনমন্ত্রী.
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবার পুনর্বাসিত না হয়, ফিরতে না পারে এবং আমরাও যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠি, সে জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।তিনি বলেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশ একদিন আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে উঠবে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভুল হতে পারে। তবে সেই ভুল সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশের পথে হাঁটতে হবে, যেখানে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে। ফ্যাসিবাদ যাতে ফের ফিরতে না পারে এবং আমরাও যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠি, সে জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।তিনি বলেন, শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা উচিত নয়। যারা ফ্যাসিস্টদের খুন-খারাপি দেখছেন না, তাদের চোখ খোলার আহ্বান জানান তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ প্রদত্ত দুটি চোখ দিয়ে না দেখলে অন্তরচক্ষু খুলতে হবে। তাহলে বাস্তবতা দেখা যাবে।ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নীরবে একটি শ্রেণির মানুষকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছে। তাদের মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড় করাতে কাজ করছে। প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব অনেক।আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও কিছু করার সুযোগ আছে কি না, তা দেখতে হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ শুভকাজের অংশীদার হতে না পারলেও পাশে থেকে সহযোগিতা করতে পারে।এ বিষয়ে তিনি নিজে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান।মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অন্ধকে আলো দেওয়ার মতো ভালো কাজ আর কিছু হতে পারে না। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করছে। তিন বছর আগে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদেরও এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। তারাও মানুষ এবং তাদেরও অধিকার রয়েছে।আয়োজকেরা জানান, সারা দেশ থেকে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাতে রাসুল (সা.) এবং রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।এ বছর প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা’।অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবার পুনর্বাসিত না হয়, ফিরতে না পারে এবং আমরাও যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠি, সে জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশ একদিন আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে উঠবে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভুল হতে পারে। তবে সেই ভুল সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশের পথে হাঁটতে হবে, যেখানে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে। ফ্যাসিবাদ যাতে ফের ফিরতে না পারে এবং আমরাও যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠি, সে জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা উচিত নয়। যারা ফ্যাসিস্টদের খুন-খারাপি দেখছেন না, তাদের চোখ খোলার আহ্বান জানান তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ প্রদত্ত দুটি চোখ দিয়ে না দেখলে অন্তরচক্ষু খুলতে হবে। তাহলে বাস্তবতা দেখা যাবে।
ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নীরবে একটি শ্রেণির মানুষকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছে। তাদের মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড় করাতে কাজ করছে। প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব অনেক।
আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও কিছু করার সুযোগ আছে কি না, তা দেখতে হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ শুভকাজের অংশীদার হতে না পারলেও পাশে থেকে সহযোগিতা করতে পারে।
এ বিষয়ে তিনি নিজে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অন্ধকে আলো দেওয়ার মতো ভালো কাজ আর কিছু হতে পারে না। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করছে। তিন বছর আগে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদেরও এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। তারাও মানুষ এবং তাদেরও অধিকার রয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, সারা দেশ থেকে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাতে রাসুল (সা.) এবং রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা’।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।