দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংগৃহীত ছবি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী.
দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানশনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগ শনাক্তকরণে প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও রোগীর প্রতি চিকিৎসকের মানবিক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। চিকিৎসক, রোগী ও উদ্বিগ্ন স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।তিনি বলেন, শিশুস্বাস্থ্যের প্রতি সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আগামী অক্টোবরে পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল উদ্বোধন করা হবে। এর মাধ্যমে শিশুদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে সরকারের সক্ষমতা আরও বাড়বে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য সংশ্লিষ্ট খাতের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি রোগীর প্রতি মানবিক আচরণও নিশ্চিত করতে হবে।এর আগে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।পরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগ শনাক্তকরণে প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও রোগীর প্রতি চিকিৎসকের মানবিক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। চিকিৎসক, রোগী ও উদ্বিগ্ন স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, শিশুস্বাস্থ্যের প্রতি সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আগামী অক্টোবরে পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল উদ্বোধন করা হবে। এর মাধ্যমে শিশুদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে সরকারের সক্ষমতা আরও বাড়বে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য সংশ্লিষ্ট খাতের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি রোগীর প্রতি মানবিক আচরণও নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
পরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।