বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডিমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডিমন্ত্রী.
বাংলাদেশের অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন ও আবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা কারিকুলামে ম্যান্ডারিন বা চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় আসে।দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি উঠে আসে।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশের বিভিন্ন খাতে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে পারে। আমরা এসব ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই।রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়াতে চীন আগ্রহী।বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশের অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন ও আবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা কারিকুলামে ম্যান্ডারিন বা চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি উঠে আসে।
বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশের বিভিন্ন খাতে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে পারে। আমরা এসব ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়াতে চীন আগ্রহী।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।