কক্সবাজারকে পর্যটন হাবে পরিণত করতে চাই : বিমানমন্ত্রী
প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
ছবি: সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কক্সবাজারকে পর্যটন হাবে পরিণত করতে চাই : বিমানমন্ত্রী.
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে আমরা পর্যটন হাবে পরিণত করতে চাই। সে লক্ষ্যে কক্সবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেলগুলোর আধুনিকায়নের উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে নিয়েছি।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার জেলার ভবিষ্যৎ সমন্বিত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন।অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।বিমানমন্ত্রী কক্সবাজারের উন্নয়নে ইকো ট্যুরিজম মডেল অনুসরণ করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া পর্যটন হাব হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চান মন্ত্রী।মন্ত্রী আরো বলেন, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা করতে পারবো বলে আশা করি। নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন হলে বিদেশি পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কক্সবাজারের জন্য নতুন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। নতুন মাস্টারপ্ল্যানে কক্সবাজারকে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন হাবে রূপ দেওয়া হবে।সভাশেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অতিদ্রুত উপস্থিত অংশীজনের প্রস্তাবনা সম্বলিত কক্সবাজার স্মার্ট সিটি তৈরিতে একটি মাস্টারপ্ল্যান এর কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে আমরা পর্যটন হাবে পরিণত করতে চাই। সে লক্ষ্যে কক্সবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেলগুলোর আধুনিকায়নের উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে নিয়েছি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার জেলার ভবিষ্যৎ সমন্বিত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
বিমানমন্ত্রী কক্সবাজারের উন্নয়নে ইকো ট্যুরিজম মডেল অনুসরণ করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া পর্যটন হাব হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চান মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরো বলেন, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা করতে পারবো বলে আশা করি। নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন হলে বিদেশি পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কক্সবাজারের জন্য নতুন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। নতুন মাস্টারপ্ল্যানে কক্সবাজারকে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন হাবে রূপ দেওয়া হবে।
সভাশেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অতিদ্রুত উপস্থিত অংশীজনের প্রস্তাবনা সম্বলিত কক্সবাজার স্মার্ট সিটি তৈরিতে একটি মাস্টারপ্ল্যান এর কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।